• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Donald Trump

বিদেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! ইরানে হামলা স্থগিত, আচমকা কী ঘোষণা করলেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতিতে বড় মোড় এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। বাহরিন, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের প্রয়োজন হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। এই সতর্কবার্তার পরই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে আমেরিকা।ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আমেরিকাকে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা আন্তর্জাতিক সূত্রে পূর্ণ নিশ্চিতকরণ তখনও পাওয়া যায়নি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই তিনি সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল, আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের উপর।

আগস্ট ০২, ২০২৬
বিদেশ

‘আমিই এক নম্বর টার্গেট!’ ইরানকে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, হঠাৎ বিমান বদলে বাড়ল জল্পনা

নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা প্রকাশ্যে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের হত্যার তালিকায় প্রথম নাম তাঁরই। এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার পথে ট্রাম্পের হঠাৎ বিমান বদল ঘিরেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।ন্যাটোর শীর্ষ বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের অবস্থান আগের মতো শক্তিশালী নয়। তাঁর দাবি, একের পর এক নেতৃত্বে পরিবর্তন হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, তিনিও যে কোনও সময় হামলার শিকার হতে পারেন। কারণ, ইরানের লক্ষ্যবস্তুদের তালিকায় তাঁর নামই প্রথম।ট্রাম্পের কথায়, তিনি জানেন ইরানের প্রধান নিশানা তিনি নিজেই। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণ একই রকম রয়েছে। দেশের এবং বিশ্বের স্বার্থে যা প্রয়োজন, তিনি সেই কাজই করছেন বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে আসে আরেকটি তথ্য। ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দিতে যে বিমানে তিনি তুরস্ক গিয়েছিলেন, ফেরার সময় সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। পরিবর্তে অন্য বিমানে ওয়াশিংটনে ফেরেন তিনি। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা মেলেনি। ট্রাম্পও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।তবে তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কার মন্তব্য এবং হঠাৎ বিমান বদলের ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই কি এই অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের এক ঘোষণায় চাপে ভারত? তুরস্ককে যুদ্ধবিমান দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। তুরস্কের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের বৈঠকে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং যুদ্ধবিমান দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচকভাবে ভাবা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পর তুরস্কের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিরই এবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সামরিক প্রকল্পে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। ফলে তুরস্কের হাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি এলে ভবিষ্যতে তার প্রভাব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বহু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই তুরস্কের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই কারণেই দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক গ্রিস সফরেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। ফলে আমেরিকা-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যেই ভারতও নিজের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পকে প্রকাশ্য মঞ্চে কার্যত চ্যালেঞ্জ! নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে সম্মান করেন এবং তাঁর কথা শোনেন। তবে সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেতানিয়াহু।জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মনে করেন তিনি ট্রাম্পের কথামতো চলেন। আবার আমেরিকায় অনেকের ধারণা, ট্রাম্পও তাঁর কথামতো সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই দুই ধারণাই ভুল বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। সব বিষয়ে দুই দেশের মত এক হবে, এমন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে তাঁর সরকার কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয়। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনার উপস্থিতি বজায় থাকবে বলেও জানান তিনি। যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন সেনা সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে তাঁর স্পষ্ট বার্তা।সম্প্রতি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাধিক শর্ত নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই শর্তগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিও ছিল। কিন্তু তারপরও দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কিছুটা কঠোর সুরে ইজরায়েলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইজরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর সমর্থন ছাড়া ইজরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।তবে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইজরায়েল নিজের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ফলে লেবানন ও ইরান ইস্যুতে আগামী দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের অবস্থান কতটা একসুরে থাকবে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুন ২২, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের বড় ঘোষণা: ইরানের সঙ্গে চুক্তি, খুলছে হরমুজ়—স্বস্তির নিশ্বাস বিশ্ববাজারে

দীর্ঘ কয়েক মাসের উত্তেজনা, সামরিক সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক উদ্বেগের পর অবশেষে সমঝোতার পথে হাঁটল আমেরিকা ও ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ় প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী শুক্রবার জেনেভায় আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।সোমবার ভোরে প্রথমে পাকিস্তান এই সমঝোতার খবর প্রকাশ করে। পরে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়েই আলোচনায় অগ্রগতির বিষয়টি স্বীকার করে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর বাকি, তবুও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই ঘোষণাকে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা প্রশমনের বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।ট্রাম্পের ঘোষণা: ইঞ্জিন চালু করুক বিশ্বের জাহাজনিজের সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সবাইকে অভিনন্দন। হরমুজ় প্রণালীর ব্যবহার আবার স্বাভাবিক হবে। মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের সব জাহাজ আবার তাদের যাত্রা শুরু করতে পারে।তিনি আরও দাবি করেন, বহু মার্কিন প্রশাসন অতীতে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। তাঁর মতে, এই চুক্তি পশ্চিম এশিয়ায় স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ় প্রণালী?বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। পশ্চিম এশিয়ার তেলসমৃদ্ধ দেশগুলির জন্য এই জলপথ কার্যত জীবনরেখা। ফলে সেখানে অস্থিরতা তৈরি হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পায় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ে।গত কয়েক মাস ধরে ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে এই জলপথে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছিল। বহু বাণিজ্যিক জাহাজ বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়, যার ফলে পরিবহণ ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।মাইন সরানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জতবে চুক্তি হলেই যে সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে, তা নয়। সংঘাতের সময় ইরান হরমুজ় প্রণালীর বিভিন্ন অংশে সামুদ্রিক মাইন বা বিস্ফোরক বসিয়েছিল বলে অভিযোগ। এই মাইন এখনও পুরোপুরি অপসারণ করা হয়নি।মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, শুক্রবার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পরই যৌথভাবে মাইন অপসারণের কাজ শুরু হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ধাপে ধাপে পূর্ণমাত্রায় তেলবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করা হবে। ফলে বাস্তবে পরিবহণ স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অগ্রগতিএই সমঝোতা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ রবিবারই সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। যদিও সেই সময় ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।পরবর্তীতে একাধিক দফার কূটনৈতিক যোগাযোগের পর দুই দেশই আলোচনায় অগ্রগতির কথা স্বীকার করে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর এই প্রথম দুই পক্ষ প্রকাশ্যে সমঝোতার বার্তা দিল।এখনও বাকি পারমাণবিক ইস্যুর সমাধানবিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সমঝোতা মূলত হরমুজ় প্রণালীকে ঘিরে তাৎক্ষণিক সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক কর্মকাণ্ডের মতো জটিল বিষয়গুলি এখনও আলোচনার বাইরে রয়েছে।ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী দিনে একাধিক পর্যায়ের বৈঠক হতে পারে। সেই আলোচনাগুলিই নির্ধারণ করবে দুই দেশের সম্পর্ক স্থায়ীভাবে উন্নতির পথে এগোবে কি না।বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের আশা, হরমুজ় প্রণালী পুনরায় চালু হলে বিশ্ব তেলবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে।

জুন ১৫, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ ঘিরে ভয়াবহ সংকট! ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের আগে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি-সাত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দুই নেতার। সূত্রের খবর, সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। সম্ভাব্য বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।দীর্ঘ সময় পর দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে বলেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলি এই জলপথের উপর নির্ভরশীল।ভারতের ক্ষেত্রেও হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং তা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মোদি ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক থেকে কী বার্তা উঠে আসে এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ় খুলতে ইরানের শর্ত! ট্রাম্পের অস্বস্তি বাড়িয়ে নতুন সঙ্কট

শুরু হলে তার শেষও হয়, কিন্তু ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা এই সংঘাতের শেষ কোথায়, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদৌ এই যুদ্ধ থামবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। হরমুজ় প্রণালী ঘিরে জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে (Strait of Hormuz)।এই পরিস্থিতিতে ইরান জানিয়েছে, তারা হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলতে প্রস্তুত। তবে তার জন্য আমেরিকাকে তিনটি শর্ত মানতে হবে। জানা গিয়েছে, ইরান চাইছে তাদের বন্দরগুলির উপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া ইরান ও লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমান (Strait of Hormuz) ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকের সময় এই তিন দফা প্রস্তাব দেন এবং আলোচনা আবার শুরু করার উদ্যোগ নেন।অন্যদিকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রাম্প এবং তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দল এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন বলেই জানা গিয়েছে। যদিও ঠিক কোন কারণে আপত্তি, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প বারবার জানিয়েছেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যু বাদ দিয়ে কোনও চুক্তি সম্ভব নয়। যদিও এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, ইরানের দেওয়া তিনটি শর্তই মানতে রাজি নন ট্রাম্প। ফলে এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের উপর হামলায় কড়া প্রতিক্রিয়া মোদির! কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

ওয়াশিংটনের নৈশভোজে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও জায়গা নেই।শনিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে নৈশভোজ চলাকালীন আচমকা গুলি চালায় এক বন্দুকবাজ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে এক যুবক পরপর গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই ঘটনায় ট্রাম্প অক্ষত রয়েছেন। দ্রুত তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ অন্যান্যরা। ওই অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার ছয়শো অতিথি উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক, অভিনেতা-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন। নৈশভোজের পর ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই এই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায়।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ওয়াশিংটনের হোটেলে হামলার ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সকলেই সুস্থ রয়েছেন জেনে তিনি আশ্বস্ত। তাঁদের সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনাও করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে জানান, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই এবং এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা হওয়া উচিত।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হামলাকারী কে, কীভাবে তিনি কড়া নিরাপত্তা ভেঙে ভিতরে ঢুকলেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে এই হামলার পিছনে কোনও বড় যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনও যোগ নেই এবং এটি একক হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বিদেশ

নৈশভোজের মাঝেই গুলি! ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলা, চাঞ্চল্য বিশ্বজুড়ে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর উপস্থিতিতে নৈশভোজ চলাকালীন আচমকাই গুলির শব্দে কেঁপে উঠল গোটা এলাকা। ওয়াশিংটনের একটি হিলটন হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে চলছিল হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেই সময় হঠাৎ পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চলার খবর পাওয়া যায় ।ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। শনিবার রাতের এই ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক মার্কিন আধিকারিক। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স আনুমানিক একত্রিশ বছর এবং তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তাঁর মূল লক্ষ্য প্রেসিডেন্ট ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। এই ঘটনার পেছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং নিরাপত্তা বাহিনী ।ঘটনার কিছুক্ষণ পর নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই একই হোটেলে প্রায় চল্লিশ বছর আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান-এর উপর প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। সেই স্মৃতি ফের সামনে আসতেই নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও বন্দুকবাজ ভিতরে ঢুকল, তা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে! একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার গভীর রাতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আগের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক আগে এই ঘোষণা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। একই সঙ্গে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সেনার অবরোধ ও নজরদারি আগের মতোই চালু থাকবে।ট্রাম্প বলেন, ইরান সরকারের মধ্যে বিভাজন রয়েছে এবং সেই পরিস্থিতিতে তারা এখনও কোনও ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব দিতে পারেনি। তাই আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ স্থগিত রাখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূমিকাকেও তিনি প্রশংসা করেন। তবে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী ও ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন ও অবরোধ বজায় থাকবে এবং সেনাবাহিনী সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকবে।এই অবস্থায় হরমুজে আমেরিকার অবস্থান নিয়েই আপত্তি তুলেছে ইরান। তারা জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার শর্তে কোনও যুদ্ধবিরতিতে তারা রাজি নয়। ইরানের সরকারি সূত্রে দাবি, এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা অর্থহীন হয়ে উঠছে।এর মধ্যেই দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইসলামাবাদে সেই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, ইরান এখনও সেখানে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দুটি জাহাজ বাজেয়াপ্ত করেছে আমেরিকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। তাদের অভিযোগ, আমেরিকার এই পদক্ষেপ যুদ্ধোন্মুখ আচরণ এবং জলদস্যুতার সমান। পাশাপাশি আমেরিকার শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ইরান।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, ইরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং ইরান আলোচনায় অংশ নেবে কি না, তা জানার জন্য অপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি জারি থাকলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

মিত্র দেশকেই আক্রমণ! মেলোনিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার পাশে দাঁড়ায়নি ইউরোপের একাধিক দেশ। সেই তালিকায় রয়েছে ইতালিও। আর এই বিষয়েই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি মেলোনিকে নিয়ে যা ভেবেছিলেন, বাস্তবে তিনি তেমন নন। তাঁর কথায়, মেলোনির সাহস রয়েছে বলে মনে করতেন, কিন্তু সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনেকদিন ধরে মেলোনির সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি।হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইতালির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শক্তি খাতে ইতালির খরচ অনেক বেশি হলেও তারা এই ইস্যুতে সক্রিয় হতে চাইছে না। ট্রাম্পের অভিযোগ, ইতালি চায় আমেরিকা একাই পরিস্থিতি সামলাক, কিন্তু তারা নিজেরা কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এমনকি যুদ্ধের সময় ইতালির তরফে কোনও সাহায্য পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অবস্থান ইতালির সাধারণ মানুষ মেনে নেবে কি না, সেটাও প্রশ্ন। ইরানের হুমকির প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, বিপদের সময়েও মেলোনির অবস্থান ঠিক নয়।প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। তেহরান-সহ একাধিক জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরান পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর। একাধিক দেশে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার খবর সামনে আসে।এখনও পুরোপুরি যুদ্ধ থামেনি। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে একঘরে হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প। আর সেই কারণেই মিত্র দেশগুলির বিরুদ্ধেও তিনি প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

শত্রু দেশের ভিতরে ঢুকে রুদ্ধশ্বাস অভিযান, নিখোঁজ পাইলটকে ফিরিয়ে আনল আমেরিকা

ইরানে ভেঙে পড়া একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নিয়ে টানটান উত্তেজনার অবসান হল। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ভিতরে ঢুকে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে মার্কিন বাহিনী।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, নিখোঁজ ওই অফিসার একজন কর্নেল পদমর্যাদার আধিকারিক এবং বর্তমানে তিনি নিরাপদে আছেন, যদিও সামান্য আহত হয়েছেন।ট্রাম্প আরও জানান, পাইলটকে উদ্ধারের জন্য পেন্টাগন সারাক্ষণ নজর রাখছিল এবং পরিকল্পনা করছিল। শেষ পর্যন্ত ইরানের আকাশে একাধিক যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে এই অভিযান সফল করা হয়। তাঁর দাবি, এই পুরো অভিযান অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং প্রতিটি পদে ঝুঁকি ছিল। তবুও কোনও ক্ষতি ছাড়াই তারা এই কাজ সম্পন্ন করেছে এবং ইরানের আকাশে নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়েছে।অন্যদিকে, একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্তা বলেন, নিখোঁজ ওই পাইলট প্রায় দুদিন ধরে ইরানের নজর এড়িয়ে নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। পরে তাঁকে খুঁজে পেয়ে উদ্ধার করা হয়। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।উল্লেখ্য, শুক্রবার ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভেঙে দেয়। সেই ঘটনায় এই পাইলট নিখোঁজ হন। তাঁকে খুঁজতে গিয়ে দুটি হেলিকপ্টারও হামলার মুখে পড়ে, যদিও সেগুলি কোনওমতে ফিরে আসে। এরপর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই পাইলট ইরানের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন। তাঁকে খুঁজতে তল্লাশি চালায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীও। শেষ পর্যন্ত সেই পাইলটকে উদ্ধার করার দাবি করল আমেরিকা।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিলেতে ফের ‘দাদাগিরি’! ব্যাট হাতে মাঠে সৌরভ, সঙ্গী ব্রায়ান লারা—বাকিংহাম প্যালেসে বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচ

কলকাতা: ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। ফের ব্যাট হাতে ক্রিকেটের বাইশ গজে দেখা যেতে চলেছে মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। দীর্ঘদিন পর প্রতিযোগিতামূলক নয়, একটি বিশেষ চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচে অংশ নিতে চলেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। আর সেই ম্যাচের মঞ্চও যে কোনও সাধারণ ক্রিকেট মাঠ নয়লন্ডনের ঐতিহাসিক বাকিংহাম প্যালেস।জানা গিয়েছে, দুর্গাপুজোর আগেই ইংল্যান্ডের মাটিতে ফের ব্যাট হাতে দেখা যেতে পারে সৌরভকে। এই বিশেষ ম্যাচে তাঁর সঙ্গে মাঠে নামার কথা রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটার ব্রায়ান লারারও। ফলে দুই ক্রিকেট কিংবদন্তিকে একই ম্যাচে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনায় ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলে তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ।প্রিন্স অব ওয়েলস প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্সেস অব ওয়েলস ক্যাথরিনের আমন্ত্রণেই এই বিশেষ চ্যারিটি ম্যাচে অংশ নিতে লন্ডনে যাচ্ছেন সৌরভ। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ক্রিকেটের মাধ্যমে একটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বার্তা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।সূত্রের খবর, ম্যাচে খেলার জন্য সৌরভের সম্মতি পাওয়ার পরই প্রিন্স ও প্রিন্সেস অব ওয়েলসের কমিউনিকেশন সেক্রেটারি লি থম্পসন তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সৌরভের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় অনুষ্ঠানের গুরুত্বও আরও বেড়েছে।তবে ম্যাচটি ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে, সৌরভ ও লারা ছাড়াও আর কোন কোন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারকে মাঠে দেখা যাবে, কিংবা ম্যাচের ফরম্যাটই বা কী হবেএই মুহূর্তে তার কোনওটাই চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়নি। আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ক্রিকেটজীবনে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তাঁর একাধিক স্মরণীয় অধ্যায় তৈরি হয়েছে। এবার সেই বিলেতেই ফের ব্যাট হাতে তাঁকে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নস্টালজিয়ায় ভাসছেন তাঁর অনুরাগীরা।আর প্রতিপক্ষ বা সতীর্থদের তালিকায় যদি ব্রায়ান লারার মতো কিংবদন্তির নাম থাকে, তাহলে সেই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যে আরও কয়েক গুণ বাড়বে, তা বলাই যায়। এখন শুধু অপেক্ষা আগামী সপ্তাহের ঘোষণারকবে, কীভাবে এবং কার কার সঙ্গে ফের ক্রিকেটের মঞ্চে দেখা যাবে দাদাকে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
বিদেশ

একদিকে বিদ্যুৎ সংকট, অন্যদিকে আকাশপথের জট! রূপপুরের ইউরেনিয়াম নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের?

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমান বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়েছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার পরে ফের শুরু হয়েছে এই জ্বালানি সরবরাহ। বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবারই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় পৌঁছনোর কথা। এরপর কড়া নিরাপত্তায় ইউরেনিয়াম পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার কথা ছিল একটি বিশেষ কার্গো বিমানের। কিন্তু পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না মেলায় সেই যাত্রা পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশের এক মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ে বিমানটি আসতে পারেনি। পরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিমান চলাচলের অনুমতি এবং রুট সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে যুক্ত।জটিলতা কাটার পরে রাশিয়া বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি পাঠানোর ব্যবস্থা করে। রুশ পরমাণু সংস্থা রসাটম জানিয়েছে, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একাধিক বিশেষ কার্গো বিমানে ধাপে ধাপে এই জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছবে।বাংলাদেশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোট নয়টি চালানে রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছনোর কথা। এর মধ্যে সাতটি চালান দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য এবং দুটি চালান প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহার হবে। রসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যেই দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে। দুই ইউনিট মিলিয়ে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই হাজার চারশো মেগাওয়াট। রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি এই প্রকল্প বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। প্রথম ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। এবার দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি ধাপে ধাপে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।পাকিস্তানের আকাশসীমা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা নিয়ে বাংলাদেশে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিষয়টিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে বিমান চলাচল সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা উচিত। শেষ পর্যন্ত জট কাটিয়ে রাশিয়া থেকে রূপপুরের জন্য জ্বালানি পাঠানো শুরু হওয়ায় প্রকল্পের পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

গান্ধী জয়ন্তীতেই বিরাটিতে তাণ্ডব! বামেদের মঞ্চ ভাঙচুর, ইটবৃষ্টি, আক্রান্ত দীপ্সিতা—কাঠগড়ায় বিজেপি

গান্ধী জয়ন্তীর দিন বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি। শুক্রবার সন্ধ্যায় বণিক মোড়ে সিপিএমের সভা চলাকালীন মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ছিঁড়ে দেওয়া হয় ব্যানার ও ফ্লেক্স। এমনকি গান্ধীর ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েক জন বাম কর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। এক কর্মীর চোখেও গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগ।সিপিএমের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই এই হামলা চালিয়েছে। তাঁদের দাবি, সভা চলাকালীন আচমকা কয়েক জন সেখানে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করেন। মঞ্চ, চেয়ার ও অন্যান্য সামগ্রী ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট ও চেয়ার ছোড়ার অভিযোগও তুলেছে সিপিএম।শুক্রবার বিরাটির বণিক মোড়ে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বামেদের সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই অশান্তি শুরু হয়। সভাস্থলে ভাঙচুরের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।সিপিএমের আরও অভিযোগ, পুলিশের সামনেই ভাঙচুর চললেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে বাম কর্মীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতিও তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এই ঘটনার পর সরব হন সিপিএম নেত্রী দীপ্সিতা ধর। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবে সভায় গণ্ডগোল করা হয়েছে এবং বাম কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলা কর্মীরাও আক্রান্ত হয়েছেন। এক কর্মীর চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দীপ্সিতা বলেন, মঞ্চ ভেঙে দিলেও ওই জায়গাতেই ফের সভা হবে।তবে সিপিএমের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নন। তাঁর দাবি, সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এবং ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ফলে বিরাটির এই ঘটনায় হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।গান্ধী জয়ন্তীর দিনে বিরাটির বণিক মোড়ে বামেদের সভা ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনায় এখন তদন্তের দিকেই নজর। মঞ্চ ভাঙচুর, কর্মীদের আহত হওয়ার অভিযোগ এবং পুলিশের ভূমিকাসব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

"২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি! রিপোর্ট রয়েছে!" নন্দীগ্রাম থেকে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে পায়ে চোট পেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় পায়ে চোট নিয়ে হুইলচেয়ারে বসেই প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ভাঙা পায়ে খেলা হবে স্লোগান। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকেই মমতার সেই চোট নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দুর দাবি, ২০২১ সালের ওই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও ফ্র্যাকচার হয়নি। তাঁর কথায়, সামান্য চোট লেগেছিল। পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে তিনি প্রচার করেছিলেন বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। শুধু তাই নয়, তাঁর কাছে এই দাবির সমর্থনে নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সেই নথি প্রকাশ করার চ্যালেঞ্জও দিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরুলিয়া বাজারের সভা থেকেই ২০২১ সালের সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, গাড়ির দরজা একটি লোহার বিমে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসে মমতার পায়ে লাগে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই চোট পেয়েছিলেন মমতা। তবে পায়ে ফ্র্যাকচার হয়েছিল বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।শুভেন্দু আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালের নথিতে মমতার পায়ে ফ্র্যাকচার না থাকার কথা লেখা রয়েছে। সেই নথি তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজন হলে চ্যালেঞ্জের মুখে সেই কাগজ দেখিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।তবে এই বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্যকে তাঁর রাজনৈতিক দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০২১ সালের ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোট নিয়ে সে সময় নানা দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে এসেছিল। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়া রিপোর্টেও ওই ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ার কথা উঠে এসেছিল।এ দিনের সভায় নিজের বিধায়ক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দেন শুভেন্দু। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয় পেয়েছিলেন তিনি। পরে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই আসনেই আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে শুভেন্দু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১,৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন।শুক্রবারের সভায় শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরের আসন তিনি ছাড়েননি, কারণ সেখানে মমতা ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন বলে তাঁর দাবি। নন্দীগ্রামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এর পরেই দুর্নীতি প্রসঙ্গেও ফের আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সুমিত রায়-সহ কয়েক জনের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম করেননি তিনি। ফলে বড় চোর বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই সভা থেকে ২০২১ সালের পায়ের চোট এবং দুর্নীতিদুই পুরনো প্রসঙ্গ সামনে এনে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে তাই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে আটক অতিশী-সৌরভরা, মুম্বইয়ে শাবানা আজমি! জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কী হচ্ছে দেশজুড়ে?

দিল্লি ও মুম্বইদেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরে একই দিনে জোরালো বিক্ষোভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি-সহ একাধিক সংগঠন। দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে পাঁচশোর বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা জেল ভরো আন্দোলনেও জড়ো হন বহু মানুষ।দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এই কর্মসূচিতে আম আদমি পার্টির নেত্রী অতিশী, সৌরভ ভরদ্বাজ এবং সঞ্জয় সিং-সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা অংশ নেন। তাঁদেরও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।বিক্ষোভের আগে নয়াদিল্লি এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। অনুমতি ছাড়া জমায়েত, মিছিল ও বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ। যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথেও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল।অন্য দিকে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে জেল ভরো আন্দোলন হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং তালিকায় পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অভিজিৎ দীপকের দাবি, আন্দোলন থামবে না যতক্ষণ না তাঁদের দাবি মানা হচ্ছে। তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকেও আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার চ্যালেঞ্জ জানান। পুলিশ অবশ্য শিবাজি পার্কে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে।এই আন্দোলনে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি। পরে অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ এবং গায়ক বিশাল দাদলানিকেও মুম্বইয়ের কর্মসূচিতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মুম্বইয়ের আন্দোলন আরও নজর কেড়েছে।দিল্লি ও মুম্বইয়ের এই দুই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এক দিকে দিল্লিতে পুলিশের ধরপাকড়, অন্য দিকে মুম্বইয়ে জেল ভরো আন্দোলনএকই দিনে দুই শহরের এই ছবি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

নাম নিলেন না শুভেন্দু, তবু ‘বড় চোর’ নিয়ে কেন এত জল্পনা? নন্দীগ্রাম থেকে বড় বার্তা

বড় চোরও জেলে যাবে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের প্রচারসভা থেকে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। সুমিত রায়ের জেলযাত্রার প্রসঙ্গ তোলার পরই বড় চোর নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুমিত রায়-সহ সব চোর জেলে গিয়েছে। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, বড় চোর কবে যাবে? তাঁর দাবি, বড় চোরও জেলে যাবে। তবে এই মন্তব্যের সময় তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নেননি। ফলে কাকে ইঙ্গিত করে তিনি এই কথা বলেছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।নন্দীগ্রামের এই প্রচারসভায় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, দলটির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দুই কেন্দ্রেই জয় পাওয়ার পর তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে ফের উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।শুভেন্দুর বড় চোর মন্তব্যের পর বিরোধী শিবির থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই ধরনের মন্তব্যকে নির্বাচনী বক্তব্য বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত।অন্য দিকে কুণাল ঘোষও শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মদন মিত্র আবার পাল্টা মন্তব্য করে বলেছেন, শুভেন্দু কাকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেছেন, তা সামনে আসতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে করা মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ছে।তবে বড় চোর বলতে শুভেন্দু অধিকারী ঠিক কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা তিনি প্রকাশ্যে জানাননি। ফলে নন্দীগ্রামের প্রচারসভা থেকে তাঁর এই মন্তব্য আপাতত জল্পনার বিষয় হয়েই থাকছে। উপনির্বাচনের আগে এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বক্সায় আজ বাঘিনির রাজকীয় প্রত্যাবর্তন! কখন ছাড়া হবে, সামনে এল পুরো আয়োজন

অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। শুক্রবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হবে বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা তিন বছরের বাঘিনীকে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তাকে বিশেষ এনক্লোজার থেকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।বাঘিনীকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বক্সায়। জঙ্গলের নির্দিষ্ট এলাকায় তাকে ছাড়ার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। বক্সায় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। সেখানে জায়ান্ট পর্দায় বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।তবে মুক্তির আগে বাঘিনীকে নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। রেডিয়ো কলার নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে ফের ঘুমপাড়ানি ওষুধ দিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর রেডিয়ো কলার ঠিক করে দেওয়া হয়। বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বাঘিনী বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও জানিয়েছেন, শুক্রবার বাঘিনীকে কোনও রকম চাপ দেওয়া হবে না। এনক্লোজারের দরজা খুলে রাখা হবে। নিজের ইচ্ছেমতো সে জঙ্গলে বেরিয়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে নতুন পরিবেশের সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাঘিনী।বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে বাঘিনীটিকে বিশেষ ব্যবস্থায় বক্সায় আনা হয়েছে। বাঘের সংখ্যা বাড়ানো এবং বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী আবাস গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাঘিনীটির গতিবিধি ও শারীরিক অবস্থার উপর রেডিয়ো কলারের মাধ্যমে নজর রাখা হবে।বৃহস্পতিবারই বক্সায় পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে বন্যপ্রাণ পর্যটনেরও প্রসার ঘটতে পারে। সুন্দরবনের পাশাপাশি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পেও বাঘকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও-সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে মন্ত্রী ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হবে বড় অনুষ্ঠান। সেখান থেকেই জায়ান্ট পর্দায় দেখা যাবে বক্সার জঙ্গলে বাঘিনীকে মুক্ত করার মুহূর্ত।বহু বছর পর বক্সার জঙ্গলে বাঘ ফেরানোর এই উদ্যোগকে ঘিরে তাই উত্তরবঙ্গে উৎসাহ তুঙ্গে। বিহার থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বক্সায় পৌঁছনোর পর আজ সেই বাঘিনী প্রথম বার নিজের নতুন জঙ্গলে পা রাখবে। এখন নজর সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের দিকেই।

অক্টোবর ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পারভিনের চার বছরের অপেক্ষার অবসান! চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে সোনা

তিরন্দাজির পর বক্সিং রিংয়েও ভারতের জয়জয়কার। এশিয়ান গেমসে একের পর এক সোনা আসছে ভারতীয় বক্সারদের হাত ধরে। শুক্রবার সকালে লভলিনা বরগোহাঁই সোনা জেতার পর এ বার সেই তালিকায় যোগ হল পারভিন হুডার নাম। চিনা প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মহিলাদের ৬৫ কেজি বিভাগে সোনা জিতলেন তিনি।পারভিনের এই জয় আরও বিশেষ। একই এশিয়ান গেমসে প্রথম বার ভারতের দুই মহিলা বক্সার সোনা জিতলেন। লভলিনার পর পারভিনও সোনার পদক জেতায় ভারতীয় বক্সিংয়ে তৈরি হল নতুন নজির।তবে পারভিনের এই সাফল্যের পথ মোটেই সহজ ছিল না। কয়েক বছর আগে এশিয়ান গেমসেই পদক জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ডোপ পরীক্ষার ফলের কারণে সেই পদক কেড়ে নেওয়া হয়। সেই ঘটনার পর তাঁর কেরিয়ারে বড় ধাক্কা আসে। প্যারিস অলিম্পিকেও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি তিনি।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে তৈরি করেছেন পারভিন। প্রচারের আড়ালে থেকে কঠোর অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়েও সব কিছু তাঁর পক্ষে যায়নি। কমনওয়েলথ গেমসে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল তাঁকে।তবে সেই সব হতাশা পিছনে ফেলে শুক্রবার বক্সিং রিংয়ে নামেন পারভিন। শুরু থেকেই চিনা প্রতিপক্ষ চেন নিয়েন চিনের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে জিতে সোনা নিশ্চিত করেন ভারতীয় বক্সার।পারভিনের এই সোনা তাই শুধু একটি পদক নয়, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কঠিন প্রত্যাবর্তনেরও ফল। যে প্রতিযোগিতায় এক সময় পদক জিতেও তা হারাতে হয়েছিল তাঁকে, সেই মঞ্চেই আবার সোনার পদক গলায় তুলে নিজের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখলেন পারভিন।এশিয়ান গেমসের ত্রয়োদশ দিনে ভারতীয় দলও একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে। লভলিনা এবং পারভিনের সোনার পর বক্সিংয়ে ভারতের দাপট আরও স্পষ্ট হল।

অক্টোবর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal